রংপুর-৩ শুন্য আসনের উপ-নির্বাচনে থাকছে প্রয়োজনের দ্বিগুণ ইভিএম মেসিন
গোলাম মোস্তফা আনছারী: সাবেক বিরোধী দলীয় নেতা এরশাদের মৃত্যুতে শূন্য ঘোষণা করা রংপুর-৩ আসনের উপ-নির্বাচন হবে আগামী ৫ অক্টোবর। উপ-নির্বাচনে সম্পূর্ণ ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোটগ্রহণ করা হবে এই আসনে। প্রতিটি বুথে কোনো ধরনের যান্এিক ত্রুটি দেখা দিলে বিকল্প হিসেবে রাখা হবে অতিরিক্ত একটি করে ইভিএম মেসিন। রংপুর-৩ আসনে ১৭৫টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে পোলিং বুথ রয়েছে এক হাজার ২৩টি। প্রতিটি বুথে একটি করে ইভিএম মেশিন প্রয়োজন হয়। প্রতিটি বুথের জন্য অতিরিক্ত আরো একটি করে ইভিএম মেশিন সেখানে রাখা হবে। মেশিনে কোনো সমস্যা দেখা দিলে অতিরিক্ত মেশিনটি ভোটের কাজে ব্যবহার করা হবে। আর এ নির্বাচনে ইভিএম মেশিনগুলো নিয়ন্ত্রণ করবেন সেনা বাহিনীর প্রশিক্ষিত সদস্যরা। নির্বচন কমিশন থেকে বিশেষ এক সুএে এ তথ্য জানাগেছে। রংপুরের আঞ্চলিক নির্বাচন অফিসার জি. এম সাহাতাব উদ্দিন ইত্তেফাককে জানান, ইতোমধ্যে ইলেক্ট্রনিক ভোটিং (ইভিএম) মেশিন গুলো রংপুরে এসেছে।নির্বাচনী এলাকায় ভোটারদের উৎসাহ উদ্দীপনা বৃদ্ধি ও প্রশিক্ষিত করে তোলার জন্য প্রচারণা চালাবে রংপুর নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আগামী ২৬ও২৭ সেপ্টেম্বর রংপুরের সকল ভোট কেন্দ্রের আশপাশের ভোটার দের ইলেক্ট্রনিক ভোটিং (ইভিএম) মেসিনে ভোট দেয়ার পদ্ধতি শেখানো হবে।  এরই অংশ হিসেবে ভোটের দুই দিন আগে আগামী ৩ অক্টোবর এ আসনের সব কেন্দ্রে দিনভর ইভিএমে ‘অনুশীলনমূলক’ ভোট দিতে পারবেন ভোটাররা। ওই দিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত আগ্রহীরা কেন্দ্রে গিয়ে কীভাবে ভোট দেবেন তা শিখতেও জানতে পারবেন।
এ বিষয়ে রংপুর নির্বাচন কার্যালয়ের নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক দায়িত্ব শীল এক কর্মকতা জানান, রংপুর-৩ উপ-নির্বাচনের জন্য আমাদের ১ হাজার ২৩টি ইভিএম প্রয়োজন হবে। ব্যাকআপ হিসেবে প্রতি বুথে আরো একটি করে ইভিএম রাখা হবে। সেক্ষেত্রে সেখানে মোট দুই হাজার ৪৬টি ইভিএম মেশিন লাগবে। 
রংপুর ইসির কর্মকর্তারা জানান, ইভিএম যন্ত্রে আঙ্গুলের ছাপ, ভোটার নম্বর, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর বা স্মার্ট পরিচয়পত্র ব্যবহার করে ভোটার শনাক্ত করা হয়। নির্দিষ্ট কেন্দ্রের ভোটকক্ষে একজন পোলিং অফিসার ভোটার ভেরিফিকেশনের কাজটি করেন। ডেটাবেজে ভোটার বৈধ বা অবৈধ হিসেবে শনাক্ত হলে প্রজেক্টরের মাধ্যমে তা দেখতে পান পোলিং এজেন্টরা। ভোটার বৈধ হলে মেশিনে কুইক রেসপন্স কোড (ছজ ঈঙউঊ) এবং কিছু তথ্য সম্বলিত একটি টোকেন প্রিন্ট হবে, যা ভোটারকে দেওয়া হয়। ভোটার টোকেন নিয়ে সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তার কাছে গেলে ভোটিং মেশিনের ছজ ঈঙউঊ স্ক্যানারের মাধ্যমে তার টোকেন শনাক্ত করে গোপন কক্ষে থাকা ব্যালট ইউনিটে ব্যালট ইস্যু করা হবে। ভোটার পছন্দের প্রার্থী ও প্রতীক দেখে বাঁ দিকের বোতামে চাপ দিয়ে সিলেক্ট করবেন। ওই ব্যালট ইউনিটে সবুজ রংয়ের ঈঙঘঋওজগ বোতামে চাপ দিলে তার ভোট দেওয়া হয়ে যাবে। কখনো ভুল প্রতীক সিলেক্ট করা হলে ব্যালট ইউনিটের লাল রংয়ের ঈঅঘঈঊখ বোতাম চেপে পরে যে কোনো প্রতীক আবার সিলেক্ট করা যাবে। এভাবে দুই বার ঈঅঘঈঊখ করা যাবে, তৃতীয়বার যেটি সিলেক্ট করা হবে, সেটি বৈধ ভোট হিসেবে গৃহীত হবে।
উল্লেখ্য, রংপুর-৩ আসনে ১৭৫টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে। এ আসনে মোট ভোটার চার লাখ ৪১ হাজার ৬৭১ জন। যার মধ্যে পুরুষ ভোটার দুই লাখ ২১ হাজার ১০৯ জন আর নারী ভোটার রয়েছেন দুই লাখ ২০ হাজার ৫৬২ জন। ####






বিভাগীয় বার্তা- এর অন্যান্য খবর