পাটগ্রাম ইউএনও’র সহায়তার মাদক ছেড়ে আলোর পথে আলিম
বার্তা রিপোর্ট: পাটগ্রাম উপজেলার রসুলগঞ্জ গ্রামের বেকার যুবক আব্দুল আলিম।খানিকটা পাগলাটে স্বভাবের।একারনেই সিনিয়র আর জুনিয়র সহ অসংখ্য বন্ধু বান্ধব আর ভক্ত তার।বাবার অনেক সম্পদ। কিন্তু সে সম্পদ কাজে লাগিয়ে স্বাবলম্বী হতে পারেনি সে।তাই বেকার জীবনের হতাশায়  আসক্ত হয়ে পড়ে মাদক সেবনে। পাটগ্রাম উপজেলাটি সীমান্ত ঘেঁষা হওয়ায় অনেকটা সহজেই মিলে নানান ধরনের মাদকদ্রব্য।পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে বিভিন্ন স্থানে চলে মাদক সেবন আর ব্যবসার চেষ্ঠা।কিন্তু ধরা পড়ে যায় পুলিশের হাতে।দেয়া হয় জেল।ফিরে এসে আবারো শুরু করে।এভাবে তিন দফায় আটক আর জেল খাটে সে। তবে তাকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে পাটগ্রাম উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল করিম নিজ উদ্যোগে দায়িত্ব নেন।তিনি নিজ কার্যালয়ে ছোট ছোট কিছু কাজের সুযোগ করে দিলেন।এরকম কাজ পেয়ে এখন আলিম ভূলে গেছেন মাদকের কথা।সকাল থেকে ব্যস্ত থাকেন অফিসের ফাইল গুছানো,ফুলগাছের পরিচর্যা আর সাক্ষাৎপ্রার্থীদের সাথে কথা বলে।
আব্দুল আলিম বলেন,মাদক সেবন ও বিক্রির অপরাধে আমি ২০১৭ সালে জানুয়ারী মাসে ২০দিন,২০১৮ সালের আগষ্ট মাসে ১০দিন আর ২০১৯ সালের এপ্রিল মাসে ১০দিন করে জেল খাটি।বেকার থাকার কারণেই আমি মাদকসেবন আর বিক্রির কাজে জড়িয়ে পড়ি।বর্তমান ইউএনও স্যার আমাকে কাজের সুযোগ করে দিয়েছেন।আমাকে আলোর পথে নিয়ে এসেছেন।আমি কাজ করে খেতে চাই।আমি আর জীবনে মাদক ধরবনা।
এ ব্যাপারে পাটগ্রাম উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল করিম জানান,মাদক থেকে দুরে রাখার জন্য তাকে কাজের সুযোগ করে দিয়েছি।এতে করেও সে ভালো থাকবে আর তার স্ত্রী সন্তান আর পরিবারের লোকজন ও সন্মান নিয়ে বেঁচে থাকতে পারবে।যদি সে নিয়ম কানুন আর আদেশ নিষেধ মেনে চলে তাহলে তার জন্য মঙ্গলকর হবে।
সপ্তাহের বিশেষ প্রতিবেদন- এর অন্যান্য খবর