পাটগ্রামে বাল্যবিয়ে বন্ধ করলেন চেয়ারম্যান
স্টাফ রিপোর্টার, পাটগ্রাম: লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বাউরা ইউনিয়নে নবম শ্রেণির এক ছাত্রীর বাল্যবিয়ে বন্ধ করেছেন ওই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান।
জানা গেছে, শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) ওই শিক্ষার্থীর বাবা নুরল ইসলাম ও মা ইকরামা খাতুন শিক্ষক দম্পতি হলেও উপজেলার পাটগ্রাম পৌরসভার সোহাগপুর গ্রামের আব্দুল্লার ছেলে রফিক হোসেনের সাথে মেয়ের বাল্যবিয়ের আয়োজন করে। সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টার সময় বরসহ বরযাত্রী কনের বাড়িতে আসে। খবর পেয়ে কনের বাড়িতে গ্রাম পুলিশ পাঠিয়ে বিয়ে বন্ধ করেন ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ বসুনিয়া দুলাল। কনে নাজমুন নাহার নিশাত (১৪) বাউরা দাখিল মাদ্রাসার নবম শ্রেণির ছাত্রী। চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ বসুনিয়া দুলাল বলেন, মেয়েটির বাবা- মা কিছুদিন পূর্বে বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। বয়স কম থাকায় বিয়ে হয়নি। ঘটনা ভিন্নখাতে নিতে একই ইউনিয়নের জমগ্রাম এলাকার সাখাওয়াত হোসেন সরকারের ছেলে মোস্তাকিম সরকারকে আসামী করে লালমনিরহাট আদালতে একটি অপহরণ মামলা দায়ের করে। অপহরণ মামলাটি এখনও চলমান আছে। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) আবারও বাল্যবিয়ে দেওয়ার খবর পেয়ে ইউনিয়ন গ্রাম পুলিশ কমান্ডার আনারুল ইসলামকে পাঠিয়ে বিয়ে বন্ধ করে দেই। বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কামরুন নাহারকে জানিয়েছি।  
বাউরা দাখিল মাদ্সার সুপারিনটেনডেন্ট কাজী ফজলুল হক বলেন, মেয়েটি আমাদের প্রতিষ্ঠানের নবম শ্রেণির ছাত্রী। বাল্যবিয়ে দেওয়া আইনত অপরাধ। শিক্ষক দম্পত্তির এ কাজ করা মোটেও শোভনীয় হয়নি।  
এক নজরে- এর অন্যান্য খবর